বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম (ঘোড়া), সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হামিদুর রহমান (চশমা) এবং হুমায়ুন কবির বাদশা (আনারস)। এর মধ্যে হুমায়ুন কবির বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে এ ইউপিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য আবদুর রউফ মিন্টুকে আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। ওই নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলা ভেঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন শহিদুল ইসলাম ও হামিদুর রহমান। পরে শহিদুল ইসলাম নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। হামিদুর ও শহিদুল আবারও নির্বাচনে অংশ নিলেও নৌকা প্রতীকের সাবেক প্রার্থী আবদুর রউফ এবার নির্বাচনে অংশ নেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুর রউফ প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতবার দল থেকে নৌকা প্রতীক পেয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু দল থেকে দুজন বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় নির্বাচনে হেরে গিয়েছি। এবার প্রার্থী হলেও একই ঘটনা ঘটবে। দলের মধ্যে বিভেদ বাড়বে। এসব বিষয় ভেবে নির্বাচনে অংশই নিইনি।’

দলীয় প্রার্থী না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান খায়রুল আলম বলেন, দল থেকে এবার দুজন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে তাঁরা দুজনেই বিগত নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দলীয় প্রার্থীর পরাজয় হয়েছিল। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে তাই এবার কেন্দ্রে কারও নামই সুপারিশ করা হয়নি।

দল থেকে যেহেতু কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি, সে ক্ষেত্রে দলের নেতা–কর্মীদেরও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধানিষেধ বা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে না।

এদিকে শহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে আছি। গত নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েও জয় লাভ করেছি। এবারও দল থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলাম। কিন্তু মনোনয়ন পাইনি। তাই আবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। জনগণের জন্য কাজ করেছি, জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস আছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন