মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আবু দারদাহ বসুরহাট বাজারের মসজিদ মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী। দোকানে কেনাকাটার সুবাদে ওই কিশোরীর সঙ্গে আবু দারদাহর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাঁরা দুজন বিভিন্ন সময় মুঠোফোনে কথা বলতেন। একপর্যায়ে বিয়ের কথা বলে আবু দারদাহ ওই কিশোরীকে ভাড়া বাসায় ডেকে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এসব ঘটনার পর ওই কিশোরী আবু দারদাহকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে ১৬ জুন আবু দারদাহ তাঁকে বিয়ের কথাবার্তা চূড়ান্ত করার জন্য তাঁর বাসায় আসতে বলেন। সেখানে আবু দারদাহ ও তাঁর বন্ধু হৃদয় ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য ওই কিশোরীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁরা বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

পরে বিষয়টি ওই কিশোরী তার পরিবারকে জানায়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদেকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, কিশোরীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই আসামিকে আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। ধর্ষণের শিকার কিশোরীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য আজ সকালে তাঁকে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন