বিজ্ঞাপন

ওই চারজন হলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা তুরুকভাগ গ্রামের আবদুল হাকিম (২০) ও রাজন আহমদ (২২), খালপাড় গ্রামের শিপন আহমদ (১৯) এবং সিলেট শহরতলির শাহপরান পীরের চক গ্রামের আক্তার হোসেন (২৩)।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে ওই তরুণীর (১৮) সঙ্গে আবদুল হাকিমের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই সূত্র ধরে গতকাল শনিবার দুপুরে তরুণীকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন আবদুল হাকিম। তাঁকে গোলাপগঞ্জের মুরাদপুর বাজারে আসার কথা বলেন। দুপুরে তাঁকে সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ওই এলাকার এটি গ্রামের কাছের টিলা এলাকায় নিয়ে যান। এরপর আবদুল হাকিম মুঠোফোনে তিন বন্ধু রাজন, শিপন ও আক্তারকে ডেকে নেন। চারজন মিলে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন।

তরুণীর চিৎকারে আশপাশের মানুষ এগিয়ে যান। তাঁরা ওই চারজনকে আটক করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের কাছে নিয়ে যান। পরে চেয়ারম্যান গোলাপগঞ্জ থানা-পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশের কাছে ওই চারজনকে সোপর্দ করা হয়। ওই তরুণী পরে গোলাপগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছেন।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. লুৎফর রহমান বলেন, আটক চারজনকে আজ রোববার সকালে আদালতের পাঠানো হয়। পরে আদালতের বিচারকের নির্দেশে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন