ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে বালুবাহী ট্রলারের চালকসহ তিনজনকে আটক করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের তিতাস নদের লইছকা বিলে শুক্রবার বিকেল ছয়টার দিকে বালুবাহী ট্রলারের সঙ্গে যাত্রীবাহী ট্রলারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন বলেন, শুক্রবার বিকেলে বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর ঘাট থেকে জেলা সদরের উদ্দেশে যাত্রীবাহী নৌকাটি রওনা হয়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উপজেলার পত্তন ইউনিয়নে তিতাস নদসংলগ্ন লইছকা বিলে আসার পর দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রুহুল আমীনকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। আর নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের বাসিন্দা শামীম মিয়া বলেন, ‘বালুবাহী ট্রলারটি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে ট্রলারের পেছন পেছন যাওয়া শুরু করি। উপজেলার চরইসলামপুর থেকে ট্রলারসহ তিনজনকে আটক করি। পরে তাঁদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।’