বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটা থেকে জেলার মেড্ডার এলাকার রয়েল বীনা নামে পুতুলনাচের দলের প্রধান হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে মেলায় পুতুলনাচ প্রদর্শন করা হয়। হাবিবুর রহমানের সঙ্গে মঞ্চে তবলা ও কাঁসা নিয়ে আরও দুজন উপস্থিত হন। গ্রামবাংলার বিভিন্ন গান গেয়ে হাবিবুর রহমান পুতুলনাচ প্রদর্শন করেন।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সরেজমিন দেখা গেছে, মাঠজুড়ে দর্শক মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পুতুলনাচ দেখছেন এবং উপভোগ করছেন। সবাইকে একদৃষ্টিতে তা উপভোগ করতে দেখা গেছে। হাবিবুর রহমান গাছ কাটা, করোনার সময়ে মাস্ক ব্যবহার ও বারবার হাত পরিষ্কার রাখার ওপর পুতুলনাচ প্রদর্শন করেন। তাঁর গানে নদী, নৌকা, গ্রামীণ জনপথের বর্ণনা উঠে আসে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমি উদ্যোগ নিয়ে মেলায় পুতুলনাচ প্রদর্শন করছে। সার্বিক সহযোগিতা করছে জেলা প্রশাসন। শিল্পকলা পুতুলনাচের জন্য তিনটি দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। হাবিবুর রহমানের রয়েল বীনা দল, খেলু মিয়ার বানী বীনা দল ও চম্পা বেগমের ঝুমুর বীনা দল। প্রথম দিন হাবিবুর রহমানের রয়েল বীনা, শনি ও রোববার খেলু মিয়া ও চম্পা বেগমের দল পুতুলনাচ প্রদর্শন করবে।

শহরের শিমরাইলকান্দি এলাকার বাসিন্দা আইনজীবী তারেকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘সন্ধ্যায় হাঁটতে বের হয়েছি। পুরোনো কাচারি পুকুরপাড় এলাকায় এলে মাইকে গ্রামীণ বাংলার গান শুনতে পাই। আগ্রহী হয়ে মেলায় এসে পুতুলনাচ চলছে দেখি। অনেক দিন পর পুতুলনাচ দেখলাম। ভালো লাগছে।’

default-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস আর এম ওসমান গণি প্রথম আলোকে বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, তথা বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যই হলো এই পুতুলনাচ। কালের বিবর্তনে এটি আজ হারাতে বসেছে। সরকারের প্রচেষ্টায় তাঁরা আবার পুতুলনাচকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছেন। দীর্ঘদিন পর পুতুলনাচের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন