বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ৭ মাসের বেশি সময় ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে আছে। ট্রেন না থামার কারণে এখানকার যাত্রীরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। সিগন্যালিং সিস্টেম ধ্বংসের দোহাই দিয়ে ট্রেনের যাত্রাবিরতি বন্ধ করে সমগ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীকে কষ্ট দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সব আন্তনগর, মেইল ও কমিউটার ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত না করা হলে রেলপথ অবরোধ করে পূর্বাঞ্চল রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি পীযূষ কান্তি আচার্যের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওয়াহিদ খান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহ্বায়ক আবদুন নূর, জেলা জাসদের সভাপতি আক্তার হোসেন, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নজরুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফর, ঢাকার বায়তুল মোকাররম ও চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় সংঘর্ষের ঘটনার প্রতিবাদে গত ২৬ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন মাদ্রাসার ছাত্ররা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে বিক্ষোভ করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধদের একটি দল রেলস্টেশনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

এরপর ২৭ মার্চ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে আন্তনগর, মেইল ও কমিউটার ট্রেনের যাত্রাবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। যদিও সেখানে বর্তমানে পারাবত এক্সপ্রেস ও মেইল ট্রেনের যাত্রাবিরতি করছে। কিন্তু অন্য সব আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি বন্ধ রয়েছে। সিগন্যালিং ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এই স্টেশনের মর্যাদা দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণিতে অবনমিত করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন