অনন্ত হত্যার প্রথম বার্ষিকীতে এলাকাবাসীর সহায়তায় প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী মঈনুদ্দিন আহমদ জালালের (বর্তমানে প্রয়াত) ব্যবস্থাপনায় ঘটনাস্থলে অস্থায়ীভাবে নির্মিত হয়েছিল একটি দেয়াল-স্মৃতিস্তম্ভ। অরূপ বাউলের নকশা করা ‘জ্ঞানের জ্যোতি ছড়াবে অনন্ত, অনন্তকাল’ শীর্ষক এ স্মৃতিস্তম্ভে এরপর থেকে প্রতিবছরই অনন্ত হত্যার দিনে তাঁকে স্মরণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তাঁর সহযাত্রী ও এলাকাবাসী। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি আলোচনাপর্বে স্থানটিতে স্থায়ীভাবে ‘অনন্ত স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণের দাবি ওঠে।

স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পরপরই অনন্ত স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর গণজাগরণ মঞ্চ সিলেটের মুখপাত্র দেবাশীষ দেবুর সঞ্চালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনাপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা বলেন, বিজ্ঞান, মুক্তবুদ্ধি ও প্রগতিশীলতা চর্চার জন্য অনন্ত বিজয় দাশ প্রাণ দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানানো সত্ত্বেও তাঁর স্মরণে কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়নি। এটা খুবই দুঃখজনক। অনন্ত যে চিন্তা ও চেতনা রেখে গেছেন, তা ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।

আলোচনাপর্বে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাজিয়া চৌধুরী, সম্মিলিত নাট্যপরিষদ সিলেটের সাধারণ সম্পাদক রজতকান্তি গুপ্ত, স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দ মেহেদী জাকারিয়া, আইনজীবী মনির উদ্দিন, সাংবাদিক উজ্জ্বল মেহেদী, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম, নগরনাট সিলেটের সভাপতি উজ্জ্বল চক্রবর্তী, সাংস্কৃতিক সংগঠক রাজীব রাসেল, ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি সরোজ কান্তি, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সিলেট নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক তানজিনা বেগম প্রমুখ।

কর্মসূচিতে অনন্তর বড় বোনের স্বামী ও সিলেট কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সমর বিজয় শেখর, আইনজীবী দেবব্রত চৌধুরী, অরূপ বাউল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন