বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
পুকুরে তেলাপিয়া, সরপুঁটি, রুই, কাতলা, গজার মাছ রয়েছে। এর মধ্যে রুই, কাতলা ও গজার মাছ কিছুটা বড়। বড় মাছগুলোর ওজন দুই থেকে চার কেজির কাছাকাছি।

শাহি ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর শাহি ঈদগাহর পুকুরে মাছ শিকার করা হয়। কখনো টিকিট কেটে বড়শি দিয়ে মাছ শিকারের আয়োজন করা হয়, আবার কখনো জাল দিয়ে মাছ ধরে নিলামে বিক্রি করা হয়ে থাকে। করোনার কারণে দেড় বছর ধরে ওই পুকুরে মাছ ধরা হয়নি। এখন করোনা পরিস্থিতি উন্নত হওয়ায় বড়শি দিয়ে মাছ শিকারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এক হাজার টাকা করে ৫০টি টিকিট বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে টিকিট বিক্রি হয়েছে ৪০টি। এসব মাছ বিক্রির টাকা দিয়ে ঈদগাহের উন্নয়নকাজ করা হবে। তবে কমিটির পক্ষ থেকে ৪০টি টিকিট বিক্রির কথা বলা হলেও পুকুরে মাছ শিকার করছিলেন কয়েক শ শিকারি।

কমিটির সদস্যরা বলেন, পুকুরে তেলাপিয়া, সরপুঁটি, রুই, কাতলা, গজার মাছ রয়েছে। এর মধ্যে রুই, কাতলা ও গজার মাছ কিছুটা বড়। বড় মাছগুলোর ওজন দুই থেকে চার কেজির কাছাকাছি।

শনিবার বেলা দেড়টার দিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, চতুর্ভুজ আকারের পুকুরটির অবস্থান ঈদগাহের পুব পাশে। গরমেও পুকুরের চারপাশে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পুকুরের পূর্ব পাশের মাছশিকারিরা ছাতার তলে বসে মাছ শিকার করছিলেন। অন্যদিকে পশ্চিম পাশে, উত্তর ও দক্ষিণ পাশের মাছশিকারিরা গাছের ছায়ায় বড়শি পেতে রাখেন মাছের অপেক্ষায়।

সিলেট নগরের শাহজালাল উপশহর এলাকার বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সকাল ১০টার দিকে সাড়ে তিন থেকে চার কেজি ওজনের একটি কাতলা মাছ ধরেছিলেন। এর চেয়ে আর কোনো বড় মাছ ধরা না পড়লেও সকাল ছয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত প্রায় ৯ থেকে ১০ কেজি মাছ ধরেছেন বলে জানান।

খালেদ মাসুম নামের আরেক শিকারি বলেন, সকালে বেশি মাছ ধরা পড়েছিল। দুপুর গড়িয়ে আসায় রোদ পড়েছে পুকুরে। এতে মাছ তেমন ধরা পড়ছে না।
শাহি ঈদগাহ হাজারীবাগ এলাকার ষাটোর্ধ্ব আবদুল নূর বলেন, টিকিটের মূল্য একটু বেশি হয়ে গেছে। টিকিটের মূল্য ৫০০ টাকা হলে অনেকে শখ মেটাতে পারতেন এবং শিকারিদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেত।
বড়শি দিয়ে মাছ শিকারের আয়োজনের দেখভালের দায়িত্বে থাকা স্বপন আহমদ বলেন, মাছশিকারিদের জন্য দাগ দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। শৌখিন শিকারিদের সঙ্গে স্থানীয় শিশুরাও শখের বসে পুকুরে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করছে। এ জন্য ৪০টি টিকিট বিক্রি হলেও পুকুরে বড়শি বেশি দেখা গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন