বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শাহনাজ পারভীনের মনোনয়ন পরিবর্তন করে আনিছুরকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে তাঁর সমর্থকেরা শনিবার দুপুরে ইউপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। পরে সেখান থেকে তাঁরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আরশেদ আলী খান বলেন, ‘ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কান্ডারি বর্তমান চেয়ারম্যান আনিছুর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি, এটা আমরা মানতে পারি না। তিনি এখানে দলের কান্ডারি। তাই মনোনয়ন পরিবর্তন না করলে এই ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী শাহনাজ পারভীন অবশ্যই হারবেন।’

ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান অভিযোগ করেন, শাহনাজ পারভীন তাঁর স্বামী আতাউর রহমানকে বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে তাঁর স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, ‘আমি এই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি। বিগত দিনে সুনামের সঙ্গে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছি। তাই দলের উচিত ছিল আমাকেই মনোনয়ন দেওয়া।’

তবে চান্দাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অপর অংশের সহসভাপতি ও দলীয় মনোনয়ন পাওয়া শাহনাজ পারভীন বিক্ষোভকারীদের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী একজন প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মৃত্যুর পর তাঁকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। তিনি সুনামের সঙ্গে এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘দলীয় নেতারা সবকিছু যাচাই-বাছাই করে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে একটি পক্ষ ভাড়াটে লোকজন দিয়ে সংবাদ সম্মেলন ও মিছিল করাচ্ছে।’

বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান এবং জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, বড়াইগ্রাম উপজেলায় আওয়ামী লীগ দুই ভাগে বিভক্ত। বিক্ষোভকারীরা স্থানীয় সাংসদ আবদুল কুদ্দুসের করা কমিটির লোকজন। তাঁরা অতীতেও নৌকার বিপক্ষে প্রচারণায় লিপ্ত ছিলেন। এবারও নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন