বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল রোববার সকালে আলমগীর হোসেন বাড়ি থেকে রাজশাহী কলেজে যান। স্নাতকোত্তর পরীক্ষা দিয়ে সন্ধ্যার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়িতে ফিরছিলেন। সন্ধ্যার দিকে মোহনগঞ্জ-খড়খড়ি সড়কের সারাংপুর মোড়ে পৌঁছালে অটোরিকশার চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এতে অটোরিকশার সামনে বসা আলমগীর হোসেন ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় একই দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যান তাঁর শরীরের ওপর দিয়ে চলে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনি প্রাণ হারান। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে রাতে নিহত কলেজছাত্রের লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আজ সকালে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

আজ রোববার সকালে নিহত আলমগীর হোসেনের বাড়িতে চলছে মাতম। পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রতিবেশীরা। বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন আলমগীরের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রাহিমা খাতুন। অনাগত সন্তান নিয়ে চিন্তিত তিনি। আর কয়েক দিনের মধ্যেই অনাগত সন্তানের পৃথিবীতে আসার কথা। এর আগেই চলে গেলেন স্বামী।

আলমগীর হোসেনের মা ফেরদৌসি আরা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলেন, তাঁর দুই ছেলে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। তিন ছেলের মধ্যে এখন এক ছেলে আছে। লেখাপড়া শেষ করে ছেলেরা ভালো চাকরি করবে, এ স্বপ্ন ছিল। দুর্ঘটনায় দুই ছেলে হারিয়ে তাঁর সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন