বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: যাঁরা পাচারের শিকার হয়েছেন, তাঁদের কীভাবে ফিরিয়ে আনা যায়?

নুঝাত পারভীন: যাঁরা পাচারের শিকার হয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনা সাধারণ নাগরিক, সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের পক্ষে সম্ভব নয়; দরকার রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ। সরকারের আন্তরিক উদ্যোগই পারে বৈধ উপায়ে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনতে। স্থানীয়ভাবে সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর বা সমাজসেবা অধিদপ্তর খোঁজ নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে পাচারের বিষয়টি জানাতে পারে।

প্রথম আলো: পাচারের শিকার নারীদের কীভাবে পুনর্বাসন করা সম্ভব?

নুঝাত পারভীন: পাচারের শিকার নারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে অবশ্যই পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে হবে। যাঁদের ফিরিয়ে আনা হয়, স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের মানসিক অবস্থা ভালো থাকে না। থাকার কথাও না। সেই সঙ্গে সমাজ, পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের কাছে উঠতে-বসতে হেয় হতে হয়। নানা রকম কটূক্তি তাঁদের জীবনকে বিষিয়ে তোলে। তাই সত্যিকার অর্থে এসব নারীকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য কারিগরি শিক্ষার সুযোগ শেষে আয়ের পথ খুলে দিতে হবে। সরকার পিছিয়ে পড়া নারীদের এগিয়ে নিতে সমাজসেবা অধিদপ্তর, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এসব উদ্যোগের কারণে সফল নারীর সংখ্যাও অনেক। আমি বিশ্বাস করি, নারীর শক্তি ও মনোবল পুরুষের তুলনায় বেশি। তাঁদের কর্মমুখী করতে পারলেই আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবেন এবং দিন দিন নিজেদের একটি অবস্থান তৈরি করে নিতে পারবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন