নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বাবা সুলতান মিয়া কৃষিকাজ করেন। বাবার সঙ্গে ছেলে মোখলেছ কৃষিকাজ করতেন। ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য গত বছরের শেষের দিকে সৌদি আরবে যান তিনি। সৌদি আরবের জেদ্দা এলাকায় ‘ইয়ামা ’ নামের একটি কোম্পানিতে কাজ করতেন। অন্যান্য দিনের মতো গত বুধবার সকালেও কাজে রওনা দেন। যাওয়ার সময় পেছন থেকে বেপরোয়া গতিতে আসা একটি মাইক্রোবাস তাঁকে চাপা দেয়। রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে মোখলেছ মাথায় আঘাত পাওয়ায় নাক, মুখ ও কান দিয়ে রক্তক্ষরণ হতে থাকে। স্থানীয় পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশটি ওই হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

মোখলেছের সঙ্গে থাকা লোকজন বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর বাড়িতে মুঠোফোনে খবর দেন। প্রবাসে ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাড়ির লোকজন। ছেলের অকালমৃত্যুর সংবাদে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন বাবা সুলতান মিয়া ও মা আমেনা বেগম।

সুলতান মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘কৃষিকাজ করে সংসার চলত। ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম। ছেলে তো আর টাকা রোজগার করতে পারেনি। সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। লাশ রয়েছে হাসপাতালে। ছেলের সঙ্গে থাকা লোকজন মারা যাওয়ার বিষয়টি ফোন করে জানিয়েছেন।’ মৃত ছেলের মুখটি একনজর দেখতে সরকারের কাছে আরজি জানিয়েছেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন