বিজ্ঞাপন

যোগাযোগ করলে রাতে তাহমিলুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, তামাবিল স্থলবন্দর এলাকায় পণ্য আমদানি ও রপ্তানিতে ভারতীয় ট্রাকচালকেরা যাতায়াত করেন। এই অবস্থায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরের ব্যবসায়ীদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চলমান বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে ভারতীয় নাগরিককে রেস্তোরাঁয় বসিয়ে খাবার দেওয়ায় তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ২৬৯ ধারায় সংক্রামক ব্যাধি ছড়ানোর ঝুঁকি সৃষ্টি করায় এই দণ্ড দেওয়া হয়।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় সেখানকার ডাউকি স্থলবন্দরের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এতে টানা দুই মাস বন্ধ থাকার পর ৬ জুলাই সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়।

তামাবিল কাস্টমস সূত্র জানায়, ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় এপ্রিল মাসের শেষের দিকে তামাবিলের ওপারে ভারতের মেঘালয় রাজ্যজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করে সে দেশের রাজ্য সরকার। এ কারণে গত ১ মে থেকে ডাউকি স্থলবন্দরের পাশাপাশি সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় ভারত। আমদানি বন্ধ থাকায় তামাবিল স্থলবন্দরের কার্যক্রম অঘোষিতভাবে বন্ধ ছিল।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য করার নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। ভারত থেকে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর গাড়ির সঙ্গে চালকেরা তামাবিলে পৌঁছে খাবারদাবার খাচ্ছেন, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলাফেরা করছেন। তামাবিল স্থলবন্দরের পাশে সোনাটিলা ও বন বিভাগের জায়গায় খুপরিঘরের মতো রাতারাতি নির্মাণ করা কিছু ঘরে অস্থায়ী রেস্তোরাঁ স্থাপন করে ভারতীয় গাড়িচালকদের খাওয়ানো হয়।

গোয়াইনঘাটের ইউএনও জানিয়েছেন, রেস্তোরাঁমালিককে অর্থদণ্ড দিয়ে এ বিষয়ে সার্বিক নজরদারি বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টিও তাৎক্ষণিক জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন