বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল তিনটার দিকে নৌবাহিনীর জাহাজযোগে রোহিঙ্গা নাগরিকদের ভাসানচর নিয়ে আসার পর নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেকের স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এরপর তাঁদের ওয়্যারহাউসে নিয়ে যাওয়া যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের ব্রিফিং শেষে আশ্রয়কেন্দ্রের বিভিন্ন ক্লাস্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ নিয়ে ভাসানচরের আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর হওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ হাজার ৪০৫।

এর আগে গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে ১২৬টি পরিবারের ২৫৭ জন এবং বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ৪২টি পরিবারের ১২২ জন রোহিঙ্গা কক্সবাজারের উখিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে বাসযোগে রওনা হয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছায় এবং সেখান থেকে নৌবাহিনীর জাহাজযোগে তাঁদের ভাসানচরে নেওয়া হয়।

২০২০ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রথম দফায় ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে কক্সবাজারের শরণার্থীশিবির থেকে ভাসানচরের আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়। এরপর ২৯ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় ১ হাজার ৮০৪ জন, চলতি বছরের ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি তৃতীয় দফায় ৩ হাজার ২৪২ জন, ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি চতুর্থ দফায় ৩ হাজার ১৮ জন এবং পঞ্চম দফায় ৩ ও ৪ মার্চ ৪ হাজার ২১ জন, ষষ্ঠ দফায় ১ ও ২ এপ্রিল ৪ হাজার ৩৭২ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন