বিজ্ঞাপন

থানা-পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে ভুট্টাখেতের আলের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় নবজাতকটিকে পড়ে থাকতে দেখে ওই গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী মিনা বেগম (৩২) শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। মুহূর্তেই এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মিনা বেগমের বাড়িতে শিশুটিকে একনজর দেখার জন্য মানুষ ভিড় জমান। স্থানীয় লোকজন পরে বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাফিজুল ইসলাম ও উপপরিদর্শক (এসআই) হাসান নবজাতক শিশুটিসহ ওই দম্পতিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে থানার নারী ও শিশু সেলের জিম্মায় রাখা হয়।

নবজাতকটি দত্তক পেতে ইতিমধ্যে সাতজন আদালতে আবেদন করেছেন। তাঁদের মধ্যে শিশুটিকে উদ্ধার করা মিনা বেগমও রয়েছেন।

পাটগ্রাম সমাজসেবা কার্যালয় সূত্র জানায়, নবজাতকটি দত্তক পেতে ইতিমধ্যে সাতজন আদালতে আবেদন করেছেন। তাঁদের মধ্যে মিনা বেগমও রয়েছেন। হয়তো আরও অনেকে আদালতে আবেদন করতে পারেন। তাই আদালতের সিদ্ধান্ত পেতে একটু সময় লাগতে পারে। এ কারণে আদালত ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে নবজাতকটিকে আজ বেলা আড়াইটার দিকে রাজশাহী ছোট মনি নিবাস কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরে আদালতের সিদ্ধান্তমতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন