খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ইতিমধ্যে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। কিন্তু আমাদের একটি অভাব রয়েই গেছে। সেটি হলো নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবারের অভাব। এটি নিশ্চিত করাই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’

সুস্থ–সবল জাতি গঠনে সবাইকে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার আহ্বান জানিয়ে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ‘আমাদের দেশের মাটি উর্বর হওয়ায় ভালো ভালো সবজি উৎপাদন হয়ে থাকে। এসব খাদ্য উৎপাদনে উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খাদ্যের নিরাপত্তা ও পুষ্টিমান বজায় রাখা জরুরি। দেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। যিনি উৎপাদনপ্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত, তাঁর যেমন সচেতনতা প্রয়োজন, তেমনি যিনি খাবেন, তাঁর ক্ষেত্রেও নিরাপত্তার বিষয়টি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

খাবারে যাঁরা ভেজাল দেন, তাঁদের সতর্ক করে দিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, যাঁরা খাবারে ভেজাল দেন এবং যাঁরা ভেজাল খাবার তৈরি করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে। ভেজাল খাবার তৈরি ও পরিবেশন যাঁরা করেন, তাঁদের বিষয়ে প্রশাসনকে অবগত করা প্রত্যেকের নাগরিক দায়িত্ব। যদি কেউ ফরমালিন বা অন্য যেকোনো অননুমোদিত রাসায়নিক দ্রব্য ফলমূল, শাকসবজিসহ অন্যান্য খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহার করেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইনে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে বিধান রাখা হয়েছে।

এ সময় নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, গ্রহণ ও পরিবেশন এবং বেশি লাভের আশায় হোটেল ব্যবসায়ীদের পচা–বাসি খাবার বিক্রি না করারও আহ্বান জানান খাদ্যমন্ত্রী।
পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হামিদ রেজার সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা চিন্ময় প্রামাণিক প্রমুখ বক্তব্য দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন