বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছবিতে অংশ নেওয়া আর একজন যুবক মো. মিঠু হাওলাদার বলেন, ‘মির্জাগঞ্জে ভোট ডাকাতি করতে দেওয়া হবে না। যদি কেউ অপচেষ্টা চালায় প্রয়োজনে প্রত্যেকে জীবন দিয়ে তা প্রতিহত করবেন বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছেন শতাধিক ভোটার। তাই আমরা কাফনের কাপড় সঙ্গে নিয়ে মাঠে নেমেছি।’

আগামীকাল রোববার মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী, মির্জাগঞ্জ, আমড়াগাছিয়া, দেউলী সুবিদখালী, কাকড়াবুনিয়া ও মজিদবাড়িয়াসহ ছয়টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নির্বাচন ঘিরে উপজেলার সর্বত্র উৎসাহ উদ্দীপনার আমেজ বইছে। এর মধ্যে কাকড়াবুনিয়া ইউপিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নৌকার প্রার্থী মো. মাহবুবুর আলম স্বপন নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি পাঁচটির মধ্যে তিনটিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন।

মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের বিদ্রোহী (আনারস) প্রার্থী আবুল বাশার নাসির বলেন, ২০১৬ সালে তিনি চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। কিন্তু তাঁর পক্ষে ৮০ শতাংশ ভোটার থাকলেও তাঁরা ভোট দিতে পারেননি। ভোট কারচুপির মাধ্যমে তাঁর বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এবারও ভোটারদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। তাই ভোটাররা সুষ্ঠু ভোটের দাবিতে কাফনের কাপড় পরে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তবে মির্জাগঞ্জ ইউপিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মনিরুল হক লিটন শিকদার বলেন, ‘আমি শুনেছি কিছু লোক কাফনের কাপড় পরে ভোট কারচুপির আশঙ্কা করছেন। এটি বিদ্রোহী প্রার্থীর অভিযোগের প্রবণতা। তাঁরা হেরে গেলে এমনই অভিযোগে করেন। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। আশা করি আগামীকাল সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমেই আমি নির্বাচিত হব।’

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, শতভাগ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের কাছে ভোটকেন্দ্রের যাবতীয় সরঞ্জাম বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁরা ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে গেছেন। রোববার সকালে সব কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের আগে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. তানিয়া ফেরদৌস বলেন, ইউপি নির্বাচনে ভোট কারচুপির কোনো আশঙ্কা নেই। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপকসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, আনসার মোতায়েন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন