বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকার বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খাগুরিয়া গ্রামের আপেষ মিয়ার ছেলে রংমিস্ত্রি সাইফুল ইসলাম দ্বিতীয় বিয়ে করে চট্টগ্রামে বসবাস শুরু করেন। তাঁর প্রথম স্ত্রী রুনা আক্তারের সঙ্গে আসাদুলের ভালো সম্পর্ক ছিল। কিন্তু বিষয়টি সাইফুলের ছোট ভাই মো. আল আমিন ভালোভাবে নেননি। এ নিয়ে ৭ নভেম্বর রাতে মো. আল আমিন তাঁর সহযোগী মো. জুয়েল মিয়াসহ কয়েকজন হামলা চালিয়ে আসাদুলকে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রাখেন।

পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা তাঁকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ওই হাসপাতাল থেকে একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। শুক্রবার সকাল ছয়টার দিকে তিনি সেখানে মারা যান। এদিকে হামলার ঘটনার পরদিন আসাদুলের বাবা মদন থানায় একটি মামলা করেন। পরে পুলিশ জুয়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু আল আমিনকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি। তাঁর মুঠোফোন বন্ধ থাকায় এ নিয়ে কথা বলাও সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম বলেন, আসাদুলের বাবার থানায় করা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন