বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গুলিবিদ্ধ চারজন হলেন কুতুবজোমের মো. কাজল, সায়মন, মোবারক হোসেন ও একরামুল হক।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সকাল নয়টার দিকে ইউনিয়নের আওয়ামী লীগদলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকেরা ওই কেন্দ্রে গিয়ে জাল ভোট দেওয়ার অজুহাত তুলে হইচই শুরু করেন। তখন বিদ্রোহী প্রার্থী মোশারফের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। তাঁদের মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মামুনুর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, গুলিবিদ্ধ পাঁচজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনার পর তাঁদের সবাইকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথে আবুল কালামের মৃত্যু হয়।

আবুল কালামের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হাই প্রথম আলোকে বলেন, কক্সবাজারে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশারফ হোসেনের সমর্থক ছিলেন।
ওসি আরও বলেন, সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় কুতুবজোমের দুটি ভোটকেন্দ্রে (কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা ও কুতুবজোম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) দুই ঘণ্টা ভোট বন্ধ রাখা হয়েছিল। বেলা ১১টা থেকে ওই দুই কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশারফ হোসেনের ভাষ্য, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকেরা কেন্দ্রে এসে জাল ভোট প্রয়োগ ও ভোটারদের ভয়ভীতি দেখালে সাধারণ ভোটাররা এর প্রতিবাদ করেন। শেখ কামালের লোকজন হামলা চালান। এ সময় সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। শেখ কামালের লোকজনের গুলিতে আবুল কালামের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

অভিযোগ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামাল বলেন, মোশারফের লোকজন তাঁর সমর্থকদের ওপর হামলা ও গুলি চালিয়েছেন।

আজ সকাল আটটা থেকে কক্সবাজারের দুটি পৌরসভা (চকরিয়া ও মহেশখালী) এবং টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও পেকুয়ার ১৪টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ চলছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে, দুই পৌরসভায় মেয়র পদে ৮ জন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ২৫ জন ও সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ৭৬ জন এবং ১৪টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৯২ জন, সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ১৯৯ জন ও সাধারণ ওয়ার্ডে ৭৭৫ জন প্রার্থী লড়ছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন