বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার রাতের খাওয়া শেষে শিশু আবদুল্লাহ তার চাচি খাতিজার সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে আবদুল্লাহ ঘুম থেকে উঠে বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে চাচা জামালের দোকানে খাবার কিনতে যায়। সেখান থেকে খাবার কিনে বাড়ি এসে খাচ্ছিল। কিছুক্ষণ পর তার ভাবি রীমা এসে মুরগির মাংস দিয়ে ভাত খাওয়ানোর কথা বলে তাকে ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। আর এই দৃশ্য দেখেন জামালের স্ত্রী। পরে রীমার ঘর থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় আবদুল্লাহকে উদ্ধার করা হয়।

নিহত আবদুল্লাহর চাচা জামাল বলেন, মুরগির মাংস দিয়ে ভাত খাওয়ানোর কথা বলে আবদুল্লাহকে তার ভাবি রীমা ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সেই ঘর থেকে আবদুল্লাহকে নিস্তেজ অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দীর্ঘদিন ধরে শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল রীমার। এ কারণে রীমা শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাঁচবিবি থানার উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান বলেন, শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। শিশুটির ভাবি রীমা খাতুন হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। এই ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলায় রীমাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন