বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী জিয়া হাবীব আহসান প্রথম আলোকে বলেন, আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচারের জন্য দায়রা জজ আদালতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

গত বছরের ২৪ আগস্ট রাত আটটায় চট্টগ্রাম নগরীর চাঁন্দগাও থানার পুরাতন চান্দগাঁওয়ের রমজান আলী সেরেস্তাদার বাড়ি এলাকার একটি বাসায় গুলনাহার বেগম ও তাঁর ছেলে রিফাতকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গুলনাহার বেগমের মেয়ে ময়ূরী আক্তার বাদী হয়ে মো. ফারুককে আসামি করে চাঁন্দগাও থানায় হত্যা মামলা করেন।

গত বছরের ১ অক্টোবর ফারুককে গ্রেপ্তার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে র‍্যাব কর্মকর্তারা জানান, ভারতীয় টিভি সিরিয়াল ‘ক্রাইম প্যাট্রল’ দেখে হত্যার কৌশল রপ্ত করেন ফারুক। সেই কৌশল কাজে লাগিয়ে পুরোনো ক্ষোভ থেকে গুলনাহার বেগমকে হত্যা করেন তিনি। সেই ঘটনা দেখে ফেলায় হত্যা করেন শিশু রিফাতকেও।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গুলনাহার বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল ফারুকের। তিনি গুলনাহারের বাসায় যাতায়াত করতেন। তবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি ও কলহ হতো। গুলনাহার বেগম ফারুককে বকা দিতেন।

এ কারণে তাঁর ওপর ক্ষোভের সৃষ্টি হয় ফারুকের। ঘটনার দিন কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে গুলনাহার বেগম ও শিশু রিফাতকে হত্যা করেন ফারুক। তিনি বহদ্দারহাট এলাকায় ভ্রাম্যমাণ হকার হিসেবে কাজ করতেন।

গুলনাহার বেগমের মেয়ে ময়ূরী আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার মা ও ছোট্ট ভাইকে হত্যা করেছে ফারুক। তাঁর যেন ফাঁসির সাজা হয়।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন