বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মতবিনিময় সভায় প্রজেক্টর দিয়ে মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত মতবিনিময় সভায় মহেশখালী ও মাতারবাড়ী চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়।
বেলা সাড়ে তিনটায় মতবিনিময় সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে। সারা বাংলাদেশে মেগা প্রজেক্ট হচ্ছে। আর মহেশখালীতেও অনেক মেগা প্রজেক্ট হচ্ছে। এসব প্রজেক্টগুলোর কাজ শেষ হলে এলাকার চেহারা পাল্টে যাবে।’

মতবিনিময় সভায় কক্সবাজার–২ আসনের সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, আইজিপি বেনজীর আহমেদ, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ শাফিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান, চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ, কোস্টগার্ডের উপপরিচালক কমোডর এনামুল হক, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ আনিসুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিডেট সূত্র জানায়, দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলা মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ। ইতিমধ্যে তাপবিদ্যুৎ নির্মাণ প্রকল্পের প্রায় ৫৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

কোল পাওয়ারের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট  বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা ও তেল পরিবহনের জন্য ১৪ দশমিক ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ, ২৫০ মিটার প্রস্থ ও ১৮ দশমিক ৫ মিটার গভীর চ্যানেল তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা ও তেল ওঠানো–নামানোর জন্য দুটি জেটির মধ্যে একটি জেটি নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। গত বছরের ২০ র্মাচ থেকে সারা বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও  স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। প্রকল্পের প্রথম ইউনিট বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাবে ২০২৪ সালের জানুয়ারি এবং দ্বিতীয়  ইউনিট ২০২৪ সালে জুলাই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন