বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। জনপ্রতিনিধি, নিকাহ রেজিস্ট্রার ও প্রশাসনকে সোচ্চার হতে হবে। বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করতে হবে। সচেতনতা সৃষ্টির কাজে সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা রাখতে হবে। বাল্যবিবাহের মতো মাদকও একটি বড় সমস্যা। যুবসমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে হবে। তাঁদের মাদকের ভয়াবহতার বিষয়ে সচেতন করতে হবে। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মাদকের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স (শূন্য সহিষ্ণুতা) ভূমিকা পালন করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে সারা বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও মানুষের স্বাভাবিক জীবনচিত্র থমকে ছিল। এর মধ্যেও সরকার মানুষের জীবন-জীবিকা স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে গেছে। করোনা মহামারি শুরু হলে রাজনৈতিক বিরোধীরা বলতে শুরু করেছিল দেশে খাদ্যসংকটে অনেক মানুষ মারা যাবে। কিন্তু করোনার মধ্যেও দেশে কোনো খাদ্যসংকট হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্ত সব সেক্টরে প্রণোদনা দিয়েছেন। অসহায় মানুষের খাদ্যের অভাব হলে ৩৩৩ নম্বরে ফোন করলে তাঁদের কাছে খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

সাপাহার উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল মামুন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাপাহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান হোসেন।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে সাপাহার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জবই বিলে দুই লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রজাতির ৭৪১ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন