বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছাত্রীর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে ভাবির মুঠোফোনের মাধ্যমে ওই ছাত্রীর মিজানের সঙ্গে পরিচয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। ৯ সেপ্টেম্বর মেয়েটি তার মাদ্রাসায় যায়। মিজান মেয়েটিকে হাজীগঞ্জে তাঁর বাসায় নিয়ে যান। এরপর আটকে রেখে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ১২ সেপ্টেম্বর পরিবারের লোকজন মেয়েটির অবস্থানের কথা জানতে পারেন। গতকাল শুক্রবার মেয়েটিকে নিয়ে যায় তার পরিবার।

এ ঘটনায় আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ছাত্রীটির মা বাদী হয়ে মিজানকে আসামি করে মতলব দক্ষিণ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। মতলব দক্ষিণ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান বলেন, মামলার পর আজ দুপুরে উপজেলার নারায়ণপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মেয়েটির মায়ের অভিযোগ, এ ঘটনায় সামাজিকভাবে তাঁর পরিবারের মর্যাদা নষ্ট হয়েছে। তাঁর মেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত যুবকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তিনি।

মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিয়া বলেন, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে আজ দুপুরে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার মিজানকে কাল রোববার চাঁদপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পাঠানো হবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজ তাঁকে থানাহাজতে রাখা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন