নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উপজেলার মৈনম ইউপিতে ১১ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে আটজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীও রয়েছেন। এখানে সব কেন্দ্র মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৭৬৬ ভোট পড়েছে। জামানত বাঁচাতে হলে একজন প্রার্থীকে সর্বনিম্ন ১ হাজার ৮৪৫ ভোট পেতে হবে। সেই হিসাবে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে আটজনই জামানত হারিয়েছেন।

এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সামন্ত কুমার সরকার পেয়েছেন ৫৩৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী সেকেন্দার আলী পেয়েছেন ২৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শাহনেওয়াজ প্রামাণিক ৩৪৮, স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিনা পারভীনের ৮, আবুল হোসেন ৭৬, ইউছব আলী মীর ৯৭, ফারুক হোসেন ১৯ ও সাহারুল ইসলাম ৩৬৩টি ভোট পেয়েছেন।

এ ছাড়া ভারশোঁ ইউপিতে চারজন, ভালাইনে তিনজন, পরানপুরে একজন, মান্দা সদর ইউপিতে পাঁচজন, গণেশপুরে তিনজন, প্রসাদপুরে দুজন, কুসুম্বায় একজন, তেঁতুলিয়ায় দুজন, নুরুল্যাবাদে দুজন, কালিকাপুরে একজন, কাঁশোপাড়ায় দুজন, কশবে সাতজন, বিষ্ণুপুরে তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুর রশিদ বলেন, ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে সরকারি কোষাগারে পাঁচ হাজার টাকা করে জামানত দিতে হয়। সেই জামানতের টাকা ফেরত পেতে হলে ওই ইউনিয়নের ভোটকেন্দ্রগুলোতে মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হয়। যেসব প্রার্থী এই পরিমাণ ভোট পাবেন না, তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার নিয়ম আছে। ওই ৪৪ প্রার্থী তাঁদের ইউনিয়নে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভোট না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন