বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মাহিনুরের মামা মোহাম্মদ মামুন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ১২ দিন আগে নানি জয়তুন্নেছা মারা গেলে তাঁর বোন জেসমিন দুই সন্তানকে নিয়ে বরগুনা থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জে আসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বোন লঞ্চে করে বরগুনা ফিরছিলেন। গভীর রাতে লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে দুই সন্তানসহ তিনি দগ্ধ হন।

মামুন মিয়া জানান, জেসমিনের স্বামী খলিলুর রহমান বরগুনা সদরে কাপড়ের ব্যবসা করেন। ভাগনে মাহিনুরের লাশ কেরানীগঞ্জে তার মামার বাড়িতে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক এস এম আইউব হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি জেসমিন বেগমের শরীরের ১২ শতাংশ ও তাঁর ছেলে তামিমের ৩০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তামিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এই চিকিৎসক আরও বলেন, লঞ্চে আগুন লাগার ঘটনায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পাঁচজন চিকিৎসকের একটি দল ওষুধ ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে উন্নত চিকিৎসা দিতে বরিশালে রওনা দিয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন