default-image

সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার পদটি এক মাসেরও বেশি সময় ধরে শূন্য আছে। এ কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্সসহ ৮৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী বেতন-ভাতা তুলতে পারছেন না। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা পড়েছেন চরম বিপাকে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট ধরমপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ঝন্টু সরকার গত ৭ জানুয়ারি অন্যত্র বদলি হন। এরপর থেকে এই পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সাদবীর জামান। কিন্তু তিনি আয়-ব্যয় কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পাননি। এ অবস্থায় চিকিৎসাসেবা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য সহকারীসহ ৮৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী জানুয়ারি মাসের বেতন-ভাতা তুলতে পারেননি।

বিজ্ঞাপন

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির দুজন কর্মচারী বলেন, করোনাকালে এমনিতেই সমস্যার অন্ত নেই। বেতনের ওপর নির্ভর করেই সংসার চলে। বেতন না পাওয়ায় ধারদেনা করে চলতে হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সাদবীর জামান বলেন, অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সমস্যাগুলো সম্পর্কে সিভিল সার্জন অবগত আছেন।

সুনামগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন শামস উদ্দিন গতকাল শুক্রবার বিকেলে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘সমস্যা সমাধানের জন্য সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবারও এ নিয়ে আমি মুঠোফোনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি, খুব শিগগির এ সমস্যার সমাধান হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন