বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট (শিশু) এস এম নাজিম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, শিশুদের ওজন খুবই কম ছিল। একেকজনের ওজন গড়ে ৬০০ গ্রামের বেশি নয়। এ কারণে তাদের বেঁচে থাকা খুবই কঠিন ছিল। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার মতো কোনো ব্যবস্থা এ হাসপাতালে ছিল না। ঢাকায় নিয়ে আইসিইউ সাপোর্টে রাখলে হয়তো তাদের বাঁচানো যেত। কিন্তু শিশুদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়।

চিকিৎসক বলেন, শিশুদের ওজন খুবই কম ছিল। একেকজনের ওজন গড়ে ৬০০ গ্রামের বেশি নয়। এ কারণে তাদের বেঁচে থাকা খুবই কঠিন ছিল।

২ নভেম্বর বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দেন সাদিয়া খাতুন (২৪)। তিনি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পান্টি গ্রামের বাসিন্দা সোহেল রানার (২৫) স্ত্রী। সোহেল চায়ের দোকানে কাজ করেন। ২০১৬ সালে তাঁদের বিয়ে হয়।

স্ক্যানু ওয়ার্ড সূত্র জানায়, শিশুদের মায়ের শারীরিক অবস্থা ভালো। তাঁকে কয়েক দিন আগে ছাড়পত্র দিলেও হাসপাতালে ছিলেন তিনি। আজ সবশেষ সন্তানটি মারা যাওয়ার পর তার মরদেহ নিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনই বাড়িতে চলে যান।

শিশুদের বাবা সোহেল রানা কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রথম আলোকে বলেন, তিনি ও তাঁর স্ত্রী প্রথমবারের মতো মা–বাবা হয়েছিলেন। চায়ের দোকান চালিয়ে কোনোরকমে তাঁদের সংসার চলে। নবজাতক সন্তানদের উন্নত চিকিৎসা করানোর মতো টাকা তাঁদের ছিল না। শূন্য হাতে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। যাঁরা সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে একসঙ্গে পাঁচ শিশুর জন্ম নেওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম। তবে তাদের একজনকেও বাঁচানো গেল না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন