বিজ্ঞাপন

এর আগে আমির হামজার স্ত্রী তামান্না সুলতানা অভিযোগ করেছিলেন, সাদাপোশাকে ছয়–সাতজন লোক ডাবিরাভিটা গ্রামের বাড়ি থেকে হাতকড়া পরিয়ে আমির হামজাকে তুলে নিয়ে যান। এ সময় তাঁদের একজনের কাছে রাইফেল ছিল। তামান্না সুলতানার ভাষ্য, রোববার তাঁরা পরিবারসহ গ্রামের বাড়ি ডাবিরাভিটা যান। সোমবার দুপুরে খাবার খেয়ে বাড়িতেই শুয়ে ছিলেন আমির হামজা। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে একটি কালো মাইক্রোবাস বাড়ির সামনে এসে থামে। গাড়ি থেকে ছয়–সাতজন নেমে এসে আমির হামজাকে ডাকতে বলেন। আমির হামজা ঘর থেকে বের হলে তাঁর হাতে একজন হাতকড়া পরিয়ে ফেলেন।

তামান্না সুলতানা আরও বলেছিলেন, ‘প্রত্যেকের পরনে ছিল পাঞ্জাবি ও পায়জামা। তাঁদের মধ্যে একজনের হাতে রাইফেল ছিল। ১০ মিনিটের মধ্যে তাঁরা কালো গাড়িতে (হাইয়েস) করে দ্রুত চলে যান। এরপর শহরের কয়েক জায়গায় যোগাযোগ করেও তাঁর (আমির হামজা) কোনো সন্ধান পাচ্ছি না।’

এ ব্যাপারে পরে জানতে চাইলে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার খাইরুল আলম প্রথম আলোকে বলেছিলেন, এ ব্যাপারে কোনো তথ্য নেই। পরিবার থেকে অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন