বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক ও পুলিশ সুপার নাঈমুল হক বলেন, মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলায় এর আগে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ নিয়ে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল ১১। তাঁদের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটজনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। তা ছাড়া গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুইজন মোহাম্মদ ইলিয়াছ ও আজিজুল হক কক্সবাজার আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এপিবিএন সূত্র জানায়, শনিবার বিকেলে লম্বাশিয়া ক্যাম্পের ডি-১১ ব্লকের কোবা মসজিদের সামনের কতিপয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তের অবস্থানের খবরের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনজন দুর্বৃত্ত পালিয়ে গেলেও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদের পরে ক্যাম্পের একটি বাড়ি থেকে দেশীয় তৈরি একটি বন্দুক ও একটি গুলি উদ্ধার করা হয়।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে উখিয়ার লম্বাশিয়া আশ্রয়শিবিরের ডি ব্লকের আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) সংগঠনের কার্যালয়ে বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হন মুহিবুল্লাহ (৪৮)। তিনি ওই সংগঠনের চেয়ারম্যান ছিলেন। পরের দিন ৩০ সেপ্টেম্বর মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন