বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লতিফপুর এলাকায় সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে আজ দুপুরে কিতাব আলী নবনির্মিত একটি আধা পাকা ঘরের দেয়ালে বৈদ্যুতিক মোটরের সাহায্যে পাইপ দিয়ে পানি দিচ্ছিলেন। বেলা পৌনে দুইটার দিকে অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারে তাঁর ছোঁয়া লাগে। স্ত্রী আবেদা আক্তার ও মেয়ে পিংকি আক্তার তাঁকে রক্ষা করতে গেলে তাঁরা দুজনও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাঁদের সঙ্গে শিশু তাসিয়াও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে খালিয়াজুরি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রসেনজিৎ দাস তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

প্রসেনজিৎ দাস জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মা–বাবা ও মেয়ে মারা যান। শিশু তাসিয়াকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

খালিয়াজুরি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, ‘আমি দাপ্তরিক কাজে নেত্রকোনায় এসেছি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।’

খালিয়াজুরি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ এম আরিফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মারা যাওয়া তিনজনের দাফনের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন