বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সমাবেশে নেতারা বলেন, গত ৮ জুলাই হাসেম ফুডসে অগ্নিকাণ্ডের পর শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে একটি ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং’ কমিটি গঠন করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ কমিটি সরেজমিন পরিদর্শন করে শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা, বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, বিভিন্ন পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, সমাজের বিভিন্ন স্তরের নাগরিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করে একটি প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে।

নেতারা বলেন, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের পর্যবেক্ষণে হাসেম ফুডসে গুরুতর অসংগতি পাওয়া গেছে। এর দায় মালিকপক্ষ, অগ্নিনির্বাপণ কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় সরকার প্রশাসন, শ্রম দপ্তর ও কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। বিশেষ করে ভবন নির্মাণে ত্রুটি, প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা না থাকা, ফ্লোর তালাবদ্ধ রাখা, শিশুশ্রমিক নিয়োগ, শ্রম আইন ও শ্রমবিধি অমান্য, শ্রম পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন না করা, স্বল্প মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য করা এবং কারখানায় ট্রেড ইউনিয়ন না থাকায় এই নির্মম অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

নেতারা বলেন, এ ক্ষেত্রে বিচারবিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে মালিকসহ অভিযুক্ত সব পক্ষের বিচার হওয়া দরকার। নিহত ব্যক্তিদের আইএলও-১২১ ধারামতে, এক জীবনের সমপরিমাণ আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ প্রদান করা উচিত। আহত ব্যক্তিদের উপযুক্ত চিকিৎসা ও আইনানুগ ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত।

জেলা শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের অন্যতম নেতা বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি আবদুল হাই শরিফের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সহিদুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কামরুল আহসান, জাতীয় শ্রমিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব, শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা ফিরোজ হুসাইন, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হাফিজুল ইসলাম, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন