বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেই পিকআপে থাকা চারজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তাঁরা মাংস সরবরাহ করার কোনো বৈধ কাগজপত্র বা কোনো পশুর ডাক্তারের উপস্থিতিতে পরীক্ষা করে ছাগলগুলো জবাই করা হয়েছে কি না এসব প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। পরে ডিবি পুলিশ বস্তাভর্তি মাংস ও জবাই করা ছাগলগুলো পরীক্ষার জন্য রাজশাহী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিয়ে যান। সেখানে জেলা সেনেটারি ইন্সপেক্টর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ছাগলগুলো মৃত অবস্থায় জবাই করা হয়েছে বলে জানতে পারেন। আর মাংসগুলোও মৃত ছাগলের।

আটক চারজন হলেন রাজশাহী নগরের বোয়ালিয়া মডেল থানার দরগাপাড়ার মো. মশিউর রহমান, মো. ফাইসাল এবং তাঁদের সহযোগী মো. কায়েস ও মো. ফয়সাল হোসেন। চক্রের মূল হোতা মশিউর ও ফাইসাল।

আরেফিন আরও বলেন, বিষয়টি তাঁরা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে জানায়। জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তার জিজ্ঞাসাবাদে ওই চারজন বলেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে মৃত ছাগলের মাংস, মৃত জবাই করা ছাগল এবং রুগ্‌ণ-অসুস্থ ছাগল স্বল্পমূল্যে কিনে রাজশাহী নগরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ, বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বাজারে সরবরাহ করছেন। পরে তাঁরা ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ করবেন না বলে ক্ষমা চান।

এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মশিউর ও ফাইসালকে ৮০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আর মাংস মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন