বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খেলা দেখতে আসা শিকারপুর গ্রামের বাসিন্দা সীমা আচার্য প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর বাবা হারু গোপাল ব্যানার্জি ভারতীয় সেনাসদস্য ছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধের সময় মিত্রবাহিনীর হয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। সম্প্রতি তিনি মারা গেছেন। তবে বাবার মুখে শোনা সেই যুদ্ধের গল্প আজও মেয়ে সীমা আচার্যের স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করে। দুই দেশের মধ্যে মৈত্রী খেলার আয়োজন দেখে তিনি মুগ্ধ।

default-image

কলেজছাত্রী সুদর্শনা মণ্ডল ও মৌলি আচার্য বলে, বাংলাদেশের ভাষা ও নাটক তাদের খুবই ভালো লাগে। দুই দেশের বন্ধন যেন আরও সুদৃঢ় হয়, এটাই তাদের চাওয়া।

মৈত্রী ফুটবল ম্যাচে ভারতীয় বিএসএফ ৩–০ গোলে বিজিবিকে পরাজিত করে। তবে ম্যাচে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে বিজিবি দলের গোলরক্ষক মোহাম্মদ আকাশ আলী ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন।

বিকেল পাঁচটায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ভারতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ভাস্কর গাঙ্গুলী বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজনে ভ্রাতৃত্ব ও মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হয়। বর্তমানে দুই দেশেই ফুটবলে ভাটা পড়েছে, সেটা কাটিয়ে ওটা উচিত। শিক্ষকদের বলব, পড়াশোনার পর শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠে পাঠান।’

বিএসএফের ইস্টার্ন কমান্ডের আইজি পিএস বেইন্স বলেন, বাংলাদেশের ৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। মাত্র ৫০ বছরে দেশটি একটি সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ উন্নয়নে আজ দক্ষিণ এশিয়ার রোল মডেল। ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে, বিশেষ করে বিজিবি ও বিএসএফের সম্পর্কোন্নয়নে মৈত্রী ফুটবল ম্যাচের মতো খেলাধুলার আয়োজন করার ওপর জোর দেওয়া হবে।
বিজিবির কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার কর্নেল জিয়া সাদাত খান বলেন, ‘বঙ্গবুন্ধ শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএসএফের আমন্ত্রণে আসা হয়েছে। বন্ধুত্বের জায়গা থেকে দুই দেশের মধ্যে খেলা হয়েছে। চমৎকার আয়োজনে খুবই ভালো লেগেছে।’

সন্ধ্যার মধ্যেই সবাই সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

default-image
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন