বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সকালে সদর হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে দেখা যায়, দগ্ধ রোগীরা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। তাঁদের স্বজনদের কেউ কেউ বরগুনা, পাথরঘাটা থেকে এসেছেন। চিকিৎসাধীন বরগুনার চালাতাবুনিয়া এলাকার মুক্তা বেগমের (২১) হাত, মুখ ও পা পুড়ে গেছে। তাঁর বোন মুন্নি বেগমের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় বরিশাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মুক্তার বোনের ছেলেও অগ্নিদগ্ধ হয়েছে।

চিকিৎসক ও নার্সদের পাশাপাশি রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবীদেরও হাসপাতালে আসা রোগীদের নানাভাবে সহায়তা করতে দেখা যায়। ঝালকাঠি জেলার সিভিল সার্জন রতন কুমার ঢালী বলেন, দগ্ধ রোগীদের হাসপাতালের সক্ষমতা অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কর্মরত চিকিৎসকদের হাসপাতালে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল থেকেই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দগ্ধ ও আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসতে শুরু করেন। এত সকালে চিকিৎসক ও নার্স কম থাকায় দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৭০ জনকে বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগী নদীতে তাড়াহুড়ো করে ঝাঁপ দিতে গিয়ে হাত–পা ভেঙে ফেলেছেন। অনেককে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন