বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কথা হয় দরবেশ চেম্বারের পুরুষ ও শিশুদের পোশাকের দোকান ওয়ান কালেকশনের বিক্রয়কর্মী পারভেজ খানের সঙ্গে। তিনি বলেন, দুই বছরের করোনাকাল কাটিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে এবার সবাই ঈদ উদ্‌যাপন করবেন। এবার কেনাকাটার জন্য সবাই খুব উৎসাহী। খুবই ভালো বেচাকেনা হচ্ছে। কয়েক দিন ধরে রাত একটা–দেড়টা পর্যন্ত বিক্রি চলছে। ঈদের আগের তিন দিন সারা রাত বেচাকেনা চলবে।

পাশের খুলনা বিপণিকেন্দ্রের মাহামুদ ফেব্রিকসের বিক্রয়কর্মী মোহাম্মদ আলী বলেন, এখন উচ্চবিত্ত-মধ্যবিত্ত সব ধরনের ক্রেতারাই এই এলাকার মার্কেটে আসেন। এবার ক্রেতারা বেশি থ্রি-পিস আর গাউন চাচ্ছেন। শারারা-ঘারারা নামের পোশাকের অনেক চাহিদা। গরমের মধ্যেও সুতির চেয়ে কাতান, জর্জেট, সিল্ক—এসব কাপড় বেশি চলছে। বেচাকেনা যথেষ্ট ভালো। তবে মার্কেটে কেনার চেয়ে ঘোরার লোক বেশি।

এবার বাজারে বিশেষ নামের কোনো পোশাকের আধিপত্য নেই। তরুণীরা থ্রি-পিস, গাউন আর কুর্তি কিনছেন বেশি। গত কয়েক দিন প্রচণ্ড গরমে নাখোশ বিক্রেতারা। তাঁরা মনে করছেন, আবহাওয়া ভালো থাকলে বিক্রি ভালো হতো।

খুলনা বিপণিকেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা শিল্প ও বণিক সমিতির পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ব্যবসার অবস্থা এ বছর ভালো, তা বলা যাচ্ছে না। দামও বেড়েছে অনেক। আবার মানুষের বাজেট কমেছে। মানুষের কাছে টাকা নেই, বাজেটের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারছে না। হিসাব করে পোশাক কিনছে। তারপরও এই এলাকার বিপণিবিতানগুলোয় বেচাকেনা খারাপ না।

বিগত বছরের তুলনায় এ বছর পোশাকের দাম অনেক বেশি বলে দাবি করছে ক্রেতা-বিক্রেতা দুই পক্ষই। রাজিয়া রাফা নামের একজন ক্রেতা বলেন, পোশাকের দাম এবার বেশি। তিন হাজার টাকার নিচে মোটামুটি মানের কোনো থ্রি–পিস নেই।

খুলনা শপিং কমপ্লেক্সের নিচতলায় নিউ তেজারাহ নামের দোকানের মালিক মো. মেহেদী হাসান বলেন, এ বছর থ্রি–পিসের বাজার চাঙা। ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা দামের থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন