default-image

রংপুরের হারাগাছ এলাকায় নবম শ্রেণির ছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে আরও তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হওয়া মামলাটি গতকাল সোমবার রংপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নতুন করে আটক হওয়া তিনজন হলেন ওই ছাত্রী যে ভাড়া বাড়িতে ধর্ষণের শিকার হয়েছিল, সেই বাড়ির এক নারী ভাড়াটে, লালমনিরহাট সদর এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ (৪২) ও একই এলাকার বাবুল হোসেন (৪০)। তাঁদের গতকাল রাতে পিবিআই লালমনিরহাট ও রংপুর নগরের মাহিগঞ্জ এলাকা থেকে আটক করে। পিবিআই রংপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) জাকির হোসেন প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্র জানায়, ওই ছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রায়হানুল ইসলাম ওরফে রাজুর বিরুদ্ধে গত রোববার রাতে রংপুর মহানগরের হারাগাছ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা হয়েছে। রায়হানুলকে রোববার রাতেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই রাতে ওই ছাত্রীকে অসুস্থ অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় রায়হানুলকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ওই ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, রংপুর নগরের হারাগাছ এলাকার নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন ডিবির এএসআই রায়হানুল ইসলাম। পরিচয়ের সময় রায়হানুল ওই ছাত্রীকে তার ডাকনাম রাজু বলে জানান। সম্পর্কের সূত্র ধরে রোববার সকালে ওই কিশোরীকে কেদারের পুল এলাকার শহিদুল্লাহ মিয়ার বাড়ির এক ভাড়াটের ঘরে ডেকে নেন রায়হানুল। সেখানে রায়হানুল ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর তাঁর আরও কয়েকজন পরিচিত যুবক তাকে ধর্ষণ করেন।

মন্তব্য পড়ুন 0