বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টিকা নিতে আসা নাসরিন আক্তার জানান, তিনি শহরে কাজের জন্য এসেছিলেন। সময় শেষ হয়ে যাবে বলে তিনি এই কেন্দ্র এসে টিকা নিয়েছেন।

পাবলিক লাইব্রেরি কেন্দ্রে রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবী তানজিমুর রহমান বলেন, সকাল থেকেই ভিড় ছিল। তবে টিকাপ্রত্যাশীরা নিজেরা সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এতে সবার সুবিধা হয়েছে।
এদিকে শহরের কেরামতিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, সেখানে পুরুষদের তুলনায় নারী টিকাপ্রত্যাশীদের ভিড় বেশি। এখানে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা সারি থাকলেও প্রবীণদের কোনো সারিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাঁদের দ্রুত টিকা দিতে দেখা গেছে।

কেরানীপাড়ার বাসিন্দা আলতাফ হোসেন (৫৫) বলেন, সকালে বাড়ির কাজ শেষ করে দুপুরের পর তিনি টিকা নিতে এসেছেন। এ সময় ভিড়ও কম থাকে। টিকা নিতে এসে কোনো কষ্ট বা দুর্ভোগ হয়নি বলে জানান তিনি।

সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কামরুজ্জামান তাজ প্রথম আলোকে বলেন, টিকা দিতে এসে কেউ ফিরে যায়নি। সময় শেষ হওয়ার পরও কেন্দ্রগুলোতে টিকা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জেলা সিভিল সার্জন হিরম্ব কুমার রায় জানান, সিটি করপোরেশনসহ জেলায় ১০৯টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৮৮ হাজার মানুষকে সিনোফার্মের দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়ার টার্গেট রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন