বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সোহরাব আলী প্রথম আলোকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ঘোষণায় বুদ্ধিজীবী মহলে আলোচনার ঝড় উঠেছে। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ১৪ ছাত্রের চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিনকে সাময়িক বরখাস্তের পর শিক্ষকদের অনুরোধে আন্দোলনরত শিক্ষর্থীরা আমরণ অনশন কর্মসূচি তুলে নেন। গতকাল সকাল থেকে তাঁরা শাহজাদপুর পৌর এলাকার কান্দাপাড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক কার্যালয়ের ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। আজ শনিবার সকালেও সেখানে অবস্থান নিয়ে প্রশাসনিক ভবনের ফটকে তালা লাগিয়ে তাঁদের অবস্থান করতে দেখা গেছে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তিন মুখপাত্র নাজমুল হাসান, শামীম হোসেন ও আবু জাফর হোসাইন আজ সকালে সাংবাদিকদের বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার যোগ্য নন। এমন অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, আবার খোলা— প্রশাসনের এমন কোনো প্রকার টালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না। এখন দাবি একটাই, অভিযুক্ত সেই শিক্ষককে শুধু সাময়িক বহিষ্কার নয়, তাঁকে স্থায়ীভাবে অপসারণ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন