নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘৩০০ আসনে ইভিএম পদ্ধতিতে নির্বাচন নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করিনি। নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠান আমাদের প্রথম লক্ষ্য। সংখ্যাগতভাবে আমাদের যে ইভিএম আছে, তা দিয়ে ১১০ আসনে ভোট গ্রহণের সক্ষমতা রয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর ইভিএমে আস্থা ফিরলে এ সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে।’

মো. আলমগীর আরও বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা। সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা সংবিধানে বলা আছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনে নিয়ে আসা বা না আসা, তা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। এটা সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর বিষয়।

নির্বাচন নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ হলে সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে বলে মনে করেন মো. আলমগীর। তিনি বলেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য যে প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন, নির্বাচন কমিশন তা নেবে। ‘নিজের ভোট নিজে দেবেন, যাঁকে খুশি তাঁকে দেবেন’—বিষয়টি নিয়ে কমিশন কাজ করছে। এ বিষয় নিয়ে কাজ করা গেলে রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা ফিরে আসবে। নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ হলে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে অংশ নেবে।

জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফের সভাপতিত্বে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহীউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবালে হোসেন, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম ছারোয়ার প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন