কলেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা বেলাল ওয়াদুদ ও সঞ্জীব কুমার দাস বলেন, আলিফেরা চার বোন, এক ভাই। রাতে কোরবানির মাংস খেতে গিয়ে আলিফের গলায় মাংসের হাড় আটকে যায়। বাড়িতে অনেক চেষ্টা করেও তা বের করা যায়নি। রাতে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। রাতেই তাকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে সে মারা যায়।

বেলাল ওয়াদুদ ও সঞ্জীব কুমার আরও বলেন, আলিফের বাবা সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি কাপড়ের ব্যবসা করতেন। প্রায় দেড় থেকে দুই বছর আগে স্ট্রোক করে আলিফের বাবা মারা যান।

খাওয়ার সময় গলায় কোরবানির পশুর হাড় আটকে আলিফের মারা যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলাম তুহিন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন