বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ৭ জুলাই রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারপাড়ায় জনসংহতি সমিতি—এমএন লারমা দলের তিন শীর্ষ নেতাসহ ছয়জনকে হত্যা করা হয়। এমএন লারমা এ হত্যাকাণ্ডে জনসংহতি সমিতির মূল দলকে দায়ী করে। তবে আজকের যুবলীগ কর্মী মংসিউ মারমা হত্যার ঘটনা কারা ঘটিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, বাঘমারা বাজার থেকে এক কিলোমিটার দূরে চিংকিউপাড়ায় হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায়। ঘটনার আকস্মিকতায় পাড়াবাসী আতঙ্কিত পড়ে। অনেকে ঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান। পরে মংসিউ মারমাকে তাঁর বাড়িতে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারটি জেলা সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে নোয়াপতং খালের তীরে অবস্থিত।
রাজবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য অং প্রু মারমা নিহত মংসিউ মারমার পরিবারের সদস্য ও পাড়াবাসীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, সন্ত্রাসীরা বাড়িতে ঢুকে তাঁকে উপর্যুপরি তিনটি গুলি করেছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে লুটিয়ে পড়েন এবং সেখানে মারা গেছেন।

বান্দরবান সদর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম চৌধুরী ঘটনাস্থল থেকে জানিয়েছেন, সন্ত্রাসীদের গুলিতে মংসিউ মারমা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এটি পরিকল্পিত হত্যা। লাশের সুরতহাল করা হচ্ছে। কে বা কারা তাঁকে হত্যা করেছে, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মামলা হওয়ার পর তদন্তে বিস্তারিত জানা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন