বিজ্ঞাপন

হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই মৃত রোগীদের মধ্যে তিনজন করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। বাকিরা করোনার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। করোনায় আক্রান্ত রোগীরা সবাই আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এঁরা হচ্ছেন রাজশাহী নগরের বোয়ালিয়া এলাকার হোসনে আরা (৬৭), দুর্গাপুর উপজেলার শাহিদা বেগম (৪৮) ও গোদাগাড়ী উপজেলার পলি বেগম (৫৫)।

এ ছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কোহিনুর বেগম (৫৪) ও রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আব্দুল মান্নান (৬৪)। তাঁরা দুজন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বাকিদের মধ্যে পাবনার মকবুল হোসেন (৭৫) হাসপাতালের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ইসমাইল হোসেন (৭০) ২২ নম্বর ওয়ার্ডে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মোসলেম উদ্দিন (৯০) ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মর্জিনা বেগম (৫৫) ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে, নওগাঁর সাপাহার উপজেলার আব্দুস সালাম (৭৫) ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন।

হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, মুমূর্ষু অবস্থায় এই রোগীরা করোনার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। তাঁদের চিকিৎসা দেওয়ার সময়ই পাওয়া যাচ্ছে না। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, এসব রোগীদের লক্ষণ দেখেই মনে হয়েছে তাঁরা করোনায় আক্রান্ত। করোনা পরীক্ষার জন্য কয়েকজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকিরা নমুনা সংগ্রহের আগেই মারা যান।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক সাইফুল ফেরদৌস জানান, বর্তমানে হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত ও করোনার উপসর্গ নিয়ে ১৫৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন। তার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রোগী রয়েছেন ৮০ জন।

সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী হার লক্ষ করা যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে করোনা সংক্রমণের হার ৫০ শতাংশের বেশি। পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনাক্রমে আজ সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে সাত দিনের লকডাউন দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন