বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: পানির দাম বাড়ানোয় রাজনীতির মানুষ হিসেবে আপনাদের প্রতি, সরকারের প্রতি মানুষের ক্ষোভ বাড়বে কি?

ডাবলু সরকার: আমার জানামতে, সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বেড়ে গিয়েছিল। সেটা উপলব্ধি করে প্রধানমন্ত্রী কিন্তু ইতিমধ্যে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ওয়াসার পানির দাম যদি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে তো রাজশাহীর মানুষ মনঃক্ষুণ্ন হবেনই। আর সে ক্ষেত্রে রাজনৈতিকভাবে আমরা তো একধরনের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েই যাই। সেই জায়গা থেকেও আমরা ওয়াসাকে অযৌক্তিক পর্যায়ে দাম না বাড়ানোর অনুরোধ করব।

প্রথম আলো: সম্প্রতি ওয়াসার পানিতে কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে। রাজশাহীর মানুষজন পেটের পীড়াসহ নানান রোগে ভোগে বলে আলোচনা আছে। আপনাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসে?

ডাবলু সরকার: রাজনীতিবিদ হিসেবে আমরাও অভিযোগ পাই এ বিষয়ে। ওয়াসার পানি সরবরাহের পাইপলাইনে এখনো অনেক সমস্যা আছে। প্রচুর আয়রন আসে। জানামতে, পুরোনো পাইপগুলো তারা অনেক জায়গায় এখনো পরিবর্তন করেনি। সমস্যাপূর্ণ বলে আমরা অনেকেই ওয়াসার পানি পান করি না। সম্প্রতি কলিফর্ম পাওয়ায় এই পানি নিয়ে আরও বেশি কথা হচ্ছে। তবে অনেকেই হোটেল-রেস্তোরাঁয় বিপদে পড়ে এটা পান করে। এতে করে অনেকেই অসুখ-বিসুখে ভোগে।

প্রথম আলো: নগরবাসী বা নাগরিক সমাজের নেতারা চান, এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সেবার দাম বাড়ুক গণশুনানির মাধ্যমে। কিন্তু এটা কেউই করে না। ওয়াসা কর্তৃপক্ষ কি এটা করতে পারত না?

ডাবলু সরকার: যেসব প্রতিষ্ঠান বা সেবার সঙ্গে জনগণ সম্পৃক্ত থাকে, তা গণশুনানির মাধ্যমে করাই সবচেয়ে ভালো। তখন জনগণ ও ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলাপ ও যুক্তিতর্কের মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে সেখানে কোনো প্রশ্ন থাকে না। মানুষ সহজেই মেনে নেয়। কিন্তু এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে সেটা জনগণ মানে না। অসন্তুষ্টি বাড়ে। তাই ওয়াসার উচিত ছিল, গণশুনানির মাধ্যমে পানির দাম বাড়ানো।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন