প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী বিভাগে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা কমেছে। এর সঙ্গে রোগী ও শনাক্তের হারও কমেছে। আগের দিন ৫ হাজার ১৯৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ২৪৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। শনাক্তের হার ছিল ২৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

বিভাগে নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে পাবনা জেলায় সর্বোচ্চ ২০৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া রাজশাহীতে শনাক্ত হয়েছেন ১২৫ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে শনাক্ত ২০ জন, নওগাঁয় ৫১ জন, নাটোরে ২ জন, বগুড়ায় ৯৭ জন এবং সিরাজগঞ্জে ১২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদিন বিভাগের জয়পুরহাট জেলায় করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়নি।

জেলায় গত ২৪ জুন করোনা রোগীং সংখ্যা ৫০ হাজার, ৩০ জুন ৫৫ হাজার, ৫ জুলাই ৬০ হাজার এবং আজ ১০ জুলাই রোগীর সংখ্যা ৬৫ হাজার ছাড়াল। জুলাই মাসের ১০ দিনে ৯ হাজার ৮০৭ জনের করোনা শনাক্ত হলো।

রাজশাহী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রাজশাহী বিভাগে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ১২ এপ্রিল। গত বছরের ২৯ জুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়ায়। এরপর ২০ জুলাই শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার, ৪ আগস্ট ১৫ হাজার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০ হাজার, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি ২৫ হাজার, ১৯ এপ্রিল ৩০ হাজার, ৩০ মে ৩৫ হাজার, ৯ জুন ৪০ হাজার, ১৭ জুন ৪৫ হাজার, ২৪ জুন ৫০ হাজার, ৩০ জুন ৫৫ হাজার, ৫ জুলাই ৬০ হাজার এবং আজ ১০ জুলাই রোগীর সংখ্যা ৬৫ হাজার ছাড়াল। এর মধ্যে চলতি জুলাই মাসের ১০ দিনে ৯ হাজার ৮০৭ জনের করোনা শনাক্ত হলো।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু কমেছে। এই সময়ে বগুড়ায় মারা গেছেন ৫ জন, রাজশাহীতে ২ জন, নওগাঁ, নাটোর ও সিরাজগঞ্জে ১ জন করে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বিভাগে আগের দিন ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন ২২ জন। সবশেষ মারা যাওয়া ১০ জনকে নিয়ে বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩০। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বগুড়া জেলাতে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মারা গেছেন রাজশাহী জেলায় ১৮৯ জন। এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে মারা গেছেন ১২১ জন, নওগাঁয় ১০০ জন, নাটোরে ৬৬ জন, জয়পুরহাটে ৩৮ জন, সিরাজগঞ্জে ৩১ জন এবং পাবনায় মোট ২৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আরও সুস্থ হয়েছেন ৪৭২ জন। আগের দিন সুস্থ হয়েছিলেন ৯৪৫ জন। এ নিয়ে বিভাগে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৪ হাজার ৯০৩ জন।