default-image

ঢাকার সাভারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র মোস্তাফিজুর রহমান (৩২) হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গতকাল সোমবার রাতে রাজাসন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের আজাদ শরিফ (২৯) ও সাভারের ডগরমোরা এলাকার রনি (৩৫)। তাঁদের আজ মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নিহত মোস্তাফিজুর রহমান রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে। তিনি সাভারের কালিয়াকৈর এলাকার গ্লোরিয়াস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রশাসনিক ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি সাভারের ডগরমোড়া এলাকায় বাস করতেন।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, মোস্তাফিজুর রহমান গত শনিবার বাড়ি থেকে ফেরার পথে শিমুলতলা এলাকায় বাস থেকে নেমে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। ছিনতাইকারীরা তাঁর বুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরদিন ভোরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক থেকে পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র (সিআরপি) যাওয়ার পথে তাঁর লাশ পড়ে থাকতে দেখে লোকজন সাভার থানাকে জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়ে দেয়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে সাভার থানায় মামলা করা হয়।

ডগরমোড়া এলাকার লোকজন ও পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা দাবি করেন, রনি এলাকার চিহ্নিত ছিনতাইকারী। তিনি শিমুলতলা ও ডগরমোরা এলাকায় ছিনতাইকারীদের নেতৃত্ব দেন। ছিনতাইয়ের অভিযোগে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন তিনি।

সাভার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, র‍্যাব আজাদ শরিফ ও রনিকে আজ সকালে সাভার থানায় হস্তান্তর করে। এরপর তাঁদের মোস্তাফিজুর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পাঠানো হয়।

মন্তব্য পড়ুন 0