বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, একই বাড়ির প্রতিপক্ষের সঙ্গে নিহতের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। কয়েক দিন ধরে এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এ ঘটনার জেরে গতকাল রাতে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ মন্টু খলিফা, তুহিন খান, সেলিম খান, শাহিন, সোহাগ, সজীব, শামিম, শাওনসহ ২০–২৫ জন পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হালিম খলিফা ও বাদীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। খবর শুনে বোন ও ভগ্নিপতিকে রক্ষায় এগিয়ে আসলে লিটন ও সাইফুলকেও কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষরা।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত হালিম খলিফা ও বরিশাল বাবুগঞ্জ ইউএনও মো. আমীনুল ইসলামের বাড়ি হাইলাকাঠি গ্রামে। মো. আমীনুল ইসলাম হালিম খলিফাদের কাছ থেকে ৫ শতক জমি ক্রয় করেন। বিএস রেকর্ডে আমীনুল ইসলামের নামে সোয়া ৬ শতাংশ জমি রেকর্ড হয়। হালিম খলিফাদের দাবি, ইউএনও আমীনুল ইসলামের নামে সোয়া এক শতক জমি বেশি রেকর্ড হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় অনেক সালিস হয়েছে।

ইউএনও মো. আমীনুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনার আমি কিছুই জানি না। জমি নিয়ে আমার সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই। আমি যাতে এলাকায় না যেতে পারি, সে জন্য চক্রান্ত করে আমাকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।’

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত শহিদুল ইসলাম জানান, ‘মামলায় ইউএনওকে আসামি করা হয়েছে, এটা নাম–ঠিকানা যাচাই করে পরে জানতে পেরেছি। মামলায় এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন