উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মামুন উর রশীদ বলেন, আবদুল জলিল একাধিক বিয়ে করেছেন। তিন মাস আগে তাঁর তৃতীয় স্ত্রী পয়ার উদ্দিন ও জুলেখা খাতুনের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও যৌতুক মামলা দিয়ে জলিলকে ডিভোর্স দেন। সেই মামলায় জামিন পান পয়ার ও জুলেখা। তৃতীয় স্ত্রীর সঙ্গে দফারফার চেষ্টা করছিলেন জলিল। এ জন্য বাবা পয়ার উদ্দিনকে টাকার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন তিনি।

মামুন উর রশীদ আরও বলেন, গতকাল সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে মা–বাবার সঙ্গে জলিলের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবার শরীরে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন জলিল। এতে পয়ার রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্বামীকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে মাথায় ও বাঁ হাতে আঘাত পান জুলেখা। রাত নয়টার দিকে গুরুতর আহত পয়ারকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাতেই বাড়িতে ফিরে রাজারহাট থানায় ছেলের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে জুলেখা মামলা করেন। পরে আজ বেলা একটার দিকে পয়ার উদ্দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজু সরকার বলেন, নিহত পয়ার উদ্দিনের স্ত্রী জুলেখা খাতুন বাদী হয়ে রাজারহাট থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্ত জলিলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন