রামগড় উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রামগড় পৌর এলাকার তিনটি স্থানে তিনজন ডিলারের মাধ্যমে খোলাবাজারে ওএমএসের চাল ও আটা বিক্রি করা হয়। নিয়মানুযায়ী প্রতি ডিলারকে দৈনিক ১৫০০ কেজি চাল ও ১০০০ কেজি আটা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই চাল ও আটা জনপ্রতি ৩০ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি চাল ও ৮ টাকা দরে আটা বিক্রির কথা।

তবে মেসার্স হারুন ট্রেডার্সের মালিক মো. হারুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে নায্যমূল্যে চাল ও আটা বিক্রি না করে অধিক দামে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে গোপনে বিক্রি করছেন। এ অভিযোগে ভিত্তিতে আজ দুপুরে উপজেলা প্রশাসন অভিযানে পরিচালনা করে অভিযোগের সত্যতা পায়।

ইউএনও ইখতিয়ার উদ্দীন বলেন, ডিলার হারুনের বিরুদ্ধে সোনাইপুল বাজারের আলমগীর স্টোরের কাছে ওএমএসের ২০০ কেজি আটা অধিক মূল্যে গোপনে বিক্রি করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। পরে হারুন এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে লিখিতভাবে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ অবস্থায় মেসার্স হারুন ট্রেডার্সের ডিলারশিপ বাতিল করা হয়েছে। সোনাইপুল বাজার এলাকায় শিগগিরই নতুন ডিলার নিয়োগ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন