বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ময়নাতদন্তকালে রায়হান আহমদের শরীরে মোট ১১১টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। গুরুতর জখম কোমর থেকে হাঁটুর নিচে। ডান হাতের কনিকাসহ দুটি আঙুল ও বাঁ হাতের অনামিকার নখ ওপড়ানো ছিল। আঘাতের কারণে দেহের ভেতর রগ ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়। আঘাতে দেহের মাংস থেঁতলে যায়। রগ ফেটে গিয়ে আন্তদেহে রক্তক্ষরণ (ইন্টারনাল ব্লিডিং) হয়। আঘাত করার সময় রায়হানের স্টমাক (পেট) ছিল খালি, স্টমাকে ছিল কেবল অ্যাসিডিটি লিকুইড।
মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য জানান, ময়নাতদন্তের জন্য কিছু রাসায়নিক নমুনা চট্টগ্রামের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। সেগুলোর ফল এলে পুনরায় ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ আরেকটি প্রতিবেদন তদন্তকারী সংস্থাকে দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন